Echo

Photos Of The Day  

Posted by Rezwan in

Anyer Beach at Sunda Straight, Indonesia

Anyer is home of a forty metre lighthouse built by King Willem III of the Netherlands in 1885 as a memorial for the townspeople killed by the eruption of Krakatau, which destroyed the town.[1] The original lighthouse was destroyed by a tsunami created by the eruption of Krakatau

Avro Vs. Bijoy: Let Language Be Free  

Posted by Rezwan in , ,

The Bangla blogosphere and Bangladeshi Facebook users are infuriated with protests as 'Avro', a freeware and one of the popular and widely used Bangla input systems, was accused as a pirated version of another popular Bangla input system 'Bijoy' and the Avro team was mentioned as hackers.

In an article in a Bangla news daily, Mustafa Jabbar, the proprietor of Bijoy and a pioneer of Bangla computing said hackers were responsible for spreading pirated copies of his Bijoy software on the internet. He also said that UNDP had helped these hackers to be selected by the Bangladesh Election commission for their national database works.

It may be mentioned here that Bangladesh saw more than 20 proprietary Bangla input software from 1984 to 2002 and the most popular of them was Mustafa Jabbar's Bijoy during those days. Many developers worked on its various versions.

But the real boost in Bangla computing came when in 2003 Mehdi Hasan, a Bangladeshi medical student developed Avro, a free but closed source graphic keyboard layout changer, using Unicode which was further developed during last six years by Mehdi and his friends Rifatunnabi, Tanvin Islam Siam, Ryan Kamal, Shabab Mustafa and Nipun Haq.

Bijoy Ekusheyavro4splash

While Bijoy is a ASCII based proprietary Bangla input system software and is sold in exchange of license fees, Avro on the other hand is an Unicode based freeware which has in fact four input system with four keyboard layouts - Avro Phonetic, Bornona, National (Jatiyo) and UniBijoy. The Avro phonetic (or transliteration) input system is the most popular and widely used - especially by the diaspora who do not have access to a physical Bangla keyboard. Using the Avro phonetic transliteration system they can generate Bangla words from Roman typefaces with ease.

After the accusations of Mr. Jabbar the Bangla blogosphere reacted swiftly. Loken Bosh in Amar Bondhu blog challenged Mr. Jabbar to prove that Avro is a pirated software. He wrote:

কম্পিউটারে বাংলা লেখায় বিজয় মাইল ফলক হয়ে এসেছিলো। বিজয়ের অবদানকে অস্বীকার করার কিছু নেই। এখনো প্রফেশনাল প্রিন্টিংয়ের কাজে বিজয়ের বিকল্প নেই।

কিন্তু ইন্টারনেটের এই প্রসারের যুগে বিজয় ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যাচ্ছে। [..] তাই নতুন সময়ের দাবীতেই এলো অভ্র। মেহদী হাসান খান নামের এক তরুণ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি করলেন অভ্র নামক একটি সফটওয়্যার। এবং যা তিনি বিনামূল্যে ছড়িয়ে দিলেন সমস্ত বিশ্বে। যে কেউ চাইলেই এই সফটওয়্যার ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

অভ্রর জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। ধীরে ধীরে শুরু হয়ে গেছে বিজয় বর্জন। [..] মোস্তফা জব্বার শঙ্কিত। তাই এই মিথ্যাচার। নির্বাচন কমিশন যখন ভোটার আইডির কাজে বিজয় না ব্যবহার করে অভ্র ব্যবহার করলো, তখনই তার গাত্রদাহ প্রবল হয়েছিলো। [..] আর পাশাপাশি নিজের খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন অভ্রর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার। আর এই করে করে তিনি নিজেই নিজেকে হাস্যকর প্রমাণ করছেন, আমাদের যেখানে উনাকে শ্রদ্ধা করার কথা ছিলো, সেখানে এখন তার প্রতি ঘৃণা তৈরি হচ্ছে।

Bijoy was a milestone for Bangla Computing. There is nothing to belittle Bijoy's contribution. Even today there is no option for Bijoy in the print industry (Unicode Bangla is not supported in Photoshop).

But in this era of Internet Bijoy is lagging behind. [..] So Avro came with a promise. A young man named Mehdi Hasan created Avro on his own. And he spread it across the globe via internet. Anyone can download the software and use it (for free).

The popularity of Avro is now sky high. Many people are not using Bijoy anymore. [..] Mustafa Jabbar is afraid. When the Election commission chose Avro instead of Bijoy for their voter ID project, he was infuriated with Avro. [..] So he is using his popularity to spread allegations against Avro. And he has created himself a laughing stock. Where we were supposed to revere him, hatred against him is being generated.

Avronil informs in Sachalayatan:

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই পর্যন্ত বাংলায় ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের সব চাইতে বড় প্রকল্প 'ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতকরণ' প্রকল্পে অভ্র ব্যবহার করা হয়েছিল। তাদের প্রথম পছন্দ বিজয় হলেও বিজয়ের প্রস্তুতকারক কম্পানি বিজয়ের জন্য কম্পিউটার প্রতি পাঁচ হাজার টাকা লাইসেন্স ফি চেয়েছিল যা পরে বাতিল করে দিয়ে অভ্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য নির্বাচন কমিশনের অভ্রকে দেয়া একটা স্বীকৃতিমুলক সনদের জন্য একটা কাগজ আর সামান্য কালি ছাড়া আর কিছুই খরচ করতে হয় নি।

The Voter ID and National ID project, the largest digital database project in Bangladesh's history, used Avro. Their first choice was Bijoy, but its proprietor company asked Taka 5000 (US$70) license fee for each computer, so they have decided to use Avro instead. In return they only had to give a certificate to Avro.

The claim of Mr. Jabbar is that UniBijoy keyboard system, one of the four keyboards in Avro, is a pirated version of his Bijoy keyboard layout which he copyrighted a few years ago. Here is what Mehdi Hasan Khan responded to Mr. Jabbar:

মোস্তফা জব্বার তার লেখায় ঢালাওভাবে পুরো অভ্র কীবোর্ডকেই "পাইরেটেড" হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। মজার ব্যাপার হল, মানুষজন অভ্র কীভাবে পাইরেটেড প্রশ্নটা করে তাকে চেপে ধরার পর তিনি বললেন অভ্র নিয়ে তার আপত্তি নেই, অভ্রতে ইউনিবিজয় নামে যে কীবোর্ড লেআউট আছে ঐটা তার বিজয় লেআউট থেকে চুরি করা। চমৎকার, আসুন দেখি কী করলে একটা কপিরাইটেড/পেটেন্ডেড লেআউট (অথবা সেটার প্রয়োগ) এ আমরা চুরির অভিযোগ দিতে পারি।

১) অবিকল লেআউট স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে:

অনুমতির প্রসঙ্গ যখন উঠলই তখন বলি, ২০০৩ সালে অভ্র ডেভেলপের পরিকল্পনা করার সময় আমি ফোনে মোস্তফা জব্বারের কাছে বিজয় লেআউট ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলাম। তিনিও তার জবাব জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাকে টাকা না দিলে তিনি অনুমতি দিবেন না। বেশ ভালো কথা, আমিও বিজয় কীবোর্ড অভ্রর সাথে দেইনি। [..] ইউনিবিজয় আর বিজয় কোনদিনই এক কীবোর্ড লেআউট ছিল না, এখনও নেই। যেখানে একটা কী এর পার্থক্য একটা আলাদা লেআউটের জন্ম দেয়, ইউনিবিজয়ের সাথে বিজয়ের সেখানে অন্তত ৮ টি কীতে পার্থক্য রয়েছে।

২) ফিজিক্যাল লেআউট অনুমতি ছাড়া বিতরণ করলেঃ
প্রশ্নই আসে না। অভ্র কীবোর্ড একটা সফটওয়্যার মাত্র, এর সাথে বিজয় লেআউট ছাপানো কোন কীবোর্ড আমরা বিতরণ করি না।

৩) কীবোর্ড ইন্টারফেস প্রোগ্রামের কোড অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলেঃ
আবারো বলি, এই পয়েন্টও খাটে না। বিজয় ক্লোজড সোর্স, সেটার সোর্স থেকে অভ্র ডেভেলপ করা সম্ভব না। কীভাবে বিজয় হ্যাক করে অভ্র বানানো হল তার ব্যাখ্যা আপনার কাছে দাবী করছি।

avro keyboard layout

Mustafa Jabbar has accused the whole Avro software as 'pirated'. The interesting thing is when people ask him how Avro is pirated then he says I don't have problem with Avro, but the Unibijoy layout is stolen from Bijoy. Ok. lets see how we can accuse violation of a copyrighted or patented layout:

1) If the clone of the layout is used without permission.

When the question of permission came I called Mr. Jabbar in 2003 when I was planning to build Avro for his permission to use Bijoy. He answered that he will not give permission without a fee. So I did not use the Bijoy keyboard with the (open source) Avro. UniBijoy and Bijoy were never the same keyboard layout, not even now. Where only one key difference creates a different layout, there are a difference of 8 keys between Unijoy and Bijoy.

2) If the physical layout is sold without permission
We never did! Avro input system is just a software. We do not sell any physical keyboard with Bijoy layout.

3) If the code of the Keyboard interface is reused without the permission of the programmer.

I say again, this point does not stand out. Bijoy is a closed source program. Avro cannot be developed from that source code. So how Bijoy was hacked to create Avro - I demand an explanation.

Read his post for detailed explanations and peoples' supports in the comment section.

Zahid Sumon in Projukti Forum detailed the differences between UniBjioy and Bijoy. Here are a few points:

* অভ্রতে জব্বার সাহেবের একটি ফন্টও কাজ করে না। তাই অভ্র ফন্ট পাইরেসী থেকে মুক্ত। সে সর্বদাই ইউনিকোড বেজড মুক্ত ফন্ট এর উপর নির্ভরশীল।
* অভ্রের লিনাক্স ভার্সন রয়েছে কিন্তু বিজয় শুধুমাত্র ম্যাক ও উইন্ডোজে চলে।


* In Avro no fonts of Bijoy software works. So Avro is free from piracy. It is always based on free unicode fonts.
* Avro has also a linux version. But Bijoy runs only in Windows and Mac.

Renowned wikipedian Ragib hasan writes in a comment on Mehdi's article:

২০০৬ এ যখন বাংলা উইকির কাজ শুরু করি, তখন বাংলা টাইপিং এ অভ্যস্ত ছিলাম না মোটেও। আমাদের উইকির কর্মী যারা আছেন, তাঁদের প্রায় সবাইই বাংলা লিখতে শিখেছেন অভ্র ফোনেটিকে। আজ বাংলা উইকিতে ২০,০০০ ভুক্তি আছে, যার প্রায় সবটাই লেখা হয়েছে অভ্র দিয়ে। আগামী প্রজন্মের কাছে বাংলায় তথ্য রেখে যাওয়ার এই প্রয়াসে অভ্র তাই রেখেছে এক বিশাল অবদান।

When I started work on Bangla wiki in 2006, then I was not conversant with Bangla typing. Most of our Bangla wiki volunteers learned to type in Bangla using Avro Phonetic. Today there are 20,000 entries in Bangla Wikipedia and most of them were written using Avro. So Avro has a huge contribution in leaving the next generation a large collection of Bangla content in the internet.

Bangladeshi netizens are showing their support towards Avro in Facebook and blogs. It is unforeseen that three Bangla blogging platforms Sachalayatan, Amar Blog and Amar Bondhu had changed their banner to Avro Logo to show their support in protesting Mr. Jabbar's claims.

People are creating groups in Facebook and changing their Facebook statuses in solidarity with Avro. Here are a couple of status messages:

নজরুল ইসলাম ভাষা হোক উন্মুক্ত। কোনো বেনিয়ার কাছে আমার মাতৃভাষাকে ইজারা দেবো না... কক্ষণো না

Nazrul Islam Let language be free. I will not lease my language to any profiteer.. never.

অমি রহমান পিয়াল: রক্ত দিয়ে যে অক্ষর কিনেছি তার জণ্যে যে বেনিয়া টাকা খোঁজে তাকে ধিক্কার। ভাষা হোক উন্মুক্ত।

Omi Rahman Pial: We have bought our language with blood. Shame to those who wants to make profit from it. Let language be free.

(First published in Global Voices Online)

Apocalypse In Europe  

Posted by Rezwan in , ,

You might wonder, what a peculiarly named volcano (Eyjafjallajökull -how do you pronounce it?) in Iceland can mean to Europe.

Eyjafjallajökull is actually a glacier in Iceland which covers a volcano (1,666 metres or 5,466 ft in height) which has erupted relatively frequently since the Ice Age. The volcano eruption in 14 April (see pictures) caused massive disruption to air traffic across Northern Europe. From Wikipedia:

"On 14 April 2010 Eyjafjallajökull resumed erupting after a brief pause, this time from the top crater in the centre of the glacier, causing meltwater floods (also known as jökulhlaup) to rush down the nearby rivers, and requiring 800 people to be evacuated. This eruption was explosive in nature and it threw volcanic ash several kilometres up in the atmosphere which led to travel disruptions in northwest Europe on the 15th and 16th of April 2010 including the closure of airspace over most of Northern Europe."

The above picture (click to enlarge) will explain why the volcanic ash is dangerous for Flights.

The ash-cloud left Europe flights grounded for third day in a row causing disruptions to thousands of passengers. Airlines worldwide are losing at least $200 million a day in revenue because of this.
"The dust cloud from Iceland’s Eyjafjallajökull volcano may affect 6 million passengers if the disruption extends to April 18, and the revenue loss may reach $1 billion, according to the Centre for Asia Pacific Aviation, a Sydney-based consulting firm."
Source of Images:
1) Volcano Eruption - by Flickr user Sveinn71
2) Hazards to aviation from volcanic ash cloud - by The Christian Science Monitor
3) Ash cloud impact in Europ - BBC News

Moral Question  

Posted by Rezwan in ,

Jakrtass, an expat blog from Jakarta usually posts some witty and satirical stuffs on Indonesia. Here is a snippet from a latest post which can be interpreted for many countries, including Bangladesh.

Moral paper Question:

1. Read the following passage and answer the question below:

There once was a country where everyone was a beggar. In the streets, the conventional panhandlers begged on bridges and sidewalks, buses and trains. At traffic lights they put their babies’ faces up at car windows and sang songs in the street. In the rush hour beggars stood in middle of intersections, directing traffic and asking for coins.

But these were just the visible beggars. The government stole from its own people and begged other countries for development aid. Whenever there was a natural disaster, and there were many in this benighted country, the local media, the television and newspapers, cried out for assistance from abroad. The regions begged for funds from the central government. Students begged foreign governments for scholarships, and local bureaucrats begged for grants to attend conferences abroad. When the economy collapsed in this nation of beggars, the government just looked at the IMF and stuck its hand out.

Following these examples, throughout the country, the young borrowed from their elders, who borrowed from their neighbours. The neighbours borrowed from their colleagues, who borrowed from their bosses, who ‘borrowed’ from the shareholders, and since no one ever repaid these loans they were all just beggars.

And then one day some one asked for his money back.

The government couldn’t pay. So it asked the regions to pay back their loans, and the regional governments asked the rich to pay taxes. So the rich, who were shareholders, asked the bosses to pay back the money they had borrowed, and the bosses asked the employees to pay off their debts. The neighbours went round to their neighbours and asked for their money back, until finally somebody couldn’t pay.

So they turned on the panhandlers in the streets and on the buses. Everyone needs someone to kick. (after Italo Calvino)

Which of these statements agrees with the opinion of the writer?

a. If you can’t steal, borrow. And if you can’t borrow, beg. It all boils down to the same thing anyway, and it’s better than working for a living.
b. There is absolutely no shame whatsoever in asking other people for money.
c. You can’t spend your whole life passing the hat around.

Bangla Blogs At The BOBS - Meet Ali Mahmed  

Posted by Rezwan in ,

This interview was first published in Global Voices Online.

Deutsche Welle's 2010 The Best Of Blogs (BOBs) international award has a significance for the Bangla (Bengali) bloggers in Bangladesh, India and the Bengali diaspora around the world. In its 6th round of blogging competition Bangla language blogs have been included in the BOBs [bn] for the first time. With approximately 230 million speakers, Bangla is one of the most spoken languages in the world. This award is significant in a sense that we have not seen any successful nationwide best of Bangla blogs competition in Bangladesh or in India till-to-date.
Among the 11 Bangla blog nominations we have a mix of prolific bloggers with different backgrounds.

Ali Mahmed (Shuvo)
Today we are introducing Ali Mahmed (Shuvo), who writes from Gangasagor union in Akhaura Upazila, situated in the Eastern border of Bangladesh. Ali Mahmed is currently leading among the Bangla Blog nominees on the basis of readers votes. I am translating below an email interview with Ali Mahmed, which discusses about his blogging and the blogging scene in Bangladesh.
GV: Would you please introduce your blog and tell us what kinds of topic you cover?
উত্তরটা আমার জন্য বড়ো কঠিন। আমি যেটা করার চেষ্টা করি, আমার বিক্ষিপ্ত ভাবনাগুলো একত্রিত করে লেখার প্রচেষ্টা, সবিরাম। আর এখানে লেখা মানেই তো ব্লগিং।
অবশ্য আমার লেখাগুলো আদৌ প্রচলিত ব্লগিং-এর পর্যায়ে পড়ে কিনা আমি জানি না। এবং প্রচলিত কোন ধারা আমি মেনে চলি না। যেমন আজ মশা নিয়ে লিখলাম- মশার প্রতি মানুষের বিশ্বাঘাতকতা, তো কাল মা হাতি- যে হাতিটা আগে মা পরে হাতি, একটু পরই বুশকে নিয়ে - তিনি কেমন করে রক্তের সঙ্গে তেল মিশিয়ে নতুন একটা জ্বালানী আবিষ্কার করার চেষ্টা করছিলেন। পরশু হয়তো কোন একটা ধর্ম নিয়ে, এর পরের দিন হয়তো বা বিজ্ঞান বিষয়ক কোন একটা লেখা। এই জন্যই শুরুতে বলেছিলাম, এই প্রশ্নের উত্তর দেয়াটা আমার জন্য মুশকিল।

The answer is very difficult for me. What I try to do is to accumulate all my ideas and try to write about them, continuously. And writing in blogs is blogging! But I am not sure whether all my writings fall in the criterion of “traditional blogging” as I do not follow any tradition. Like one day I wrote about the betrayal of men to the mosquitoes [bn], then the next day on a mummy elephant [bn] - which is a mother first and an elephant next. The day after I would write about a religion [bn], and on a science related [bn] issue on the next day. That's why I mentioned at the beginning, the question is hard to answer.

GV: You are basically a writer. When did you start to blog and why?
আমি নিজেকে লেখক বলে স্বীকার করি না। বলি লেখার রাজমিস্ত্রি। একজন রাজমিস্ত্রি যেমন একের পর এক শব্দের ইট বসিয়ে একটা কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করেন তেমনি আমিও একের পর এক শব্দের ইট বসিয়ে একটা কাঠামো গড়ার চেষ্টা করি। কোন পাঠক যখন আমার সেই নিষ্প্রাণ বাড়ি নামের কাঠামোটা ছুঁয়ে দেন তখন সেটা হয়ে উঠে ঝলমলে একটা প্রাসাদ।
আমি লেখালেখির নামে ব্লগিং শুরু করি ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। কোন এক দৈনিকে ‘সামহোয়্যার ইন ব্লগ ডট নেট’ এই সাইটটার খোঁজ পাই। ওখানেই শুরু।
এঁরা এক অভাবনীয় কান্ড করে ফেলেছিলেন। এঁরাই প্রথমে এই দেশে বাংলায় লেখালেখি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এই দেশের পক্ষ থেকে আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আমরা যারা দেশে থাকি তাদের চেয়ে এটা অতি জরুরী ছিল প্রবাসীদের জন্য। খানিকটা অক্সিজেন, প্রবাসীরা এখানে তাদের দমবন্ধ শ্বাস ফেলার সুযোগ পেতেন- একমুঠো দেশের সোঁদা মাটির গন্ধ! এর ফল যে কী অকল্পনীয় তার পুরোটা আঁচ করা মুশকিল।
কেন ব্লগিং শুরু করলাম এটা অল্প কথায় বলি, আমি তো আগেও লেখালেখি করতাম। ওখানে ব্লগিং শুরু করার পূর্বেই বিভিন্ন পত্রিকায় লিখেছি, তখন পর্যন্ত আমার বেশ ক-টা বইও প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু ওখানে এসে লেখার শক্তি দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। ফারাকটা টিভি নাটক এবং মঞ্চনাটকের যে তফাত, এমন! একেবারে লাইভ, জীবন্ত!
একটা লেখা দিয়ে আপনি পার পাবেন না, পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ভাললাগা-মন্দলাগা জেনে যাবেন, ভুল লিখলে জালে আটকা পড়বেন।

I don't acknowledge myself as a writer - I term it a mason of words. A mason builds a structure with bricks over bricks - likewise, I try to arrive at a structure with my craft on words. When a reader touches my lifeless house of words, it transforms into a sparkling palace. I started blogging in February 2006. I read about the (first Bangla blogging platform) somewhereinblog.net site in a newspaper and it began.
This site has done wonder in giving the privilege of blogging in Bangla in this country. I express my sincere gratitude to them on behalf of my fellow countrymen. This was also vital for the diaspora community - they could find a breathing space here - the smell of a hand-full of mother earth from home. The effect is unthinkable and difficult to fathom.
Why I started to blog - I will be short - I was writing before I started here. I wrote in a few newspapers and had already published a few of my books. But I was stunned to see the power of writing when I started blogging. The difference is like between a television drama and a theater performance. Its live, very active.
You cannot get away writing in a blog - a reader can react within 5 minutes. If you write anything wrong you will be caught.
GV: In 2007 your book “Shuvo's Blogging” was published. It is deemed as the first book in Bangla on Blogging. What motivated you for this feat?
Shuvo bloggingএটা বের করার পেছনে ঠিক সুনির্দিষ্ট কোন কারণ ছিল না। এক বছর আমি সামহোয়্যারে চুটিয়ে লেখালেখি করেছিলাম। ওখানে বেশ কিছু আমার পছন্দের লেখা ছিল, তাছাড়া অনেকের সঙ্গে অজস্র মন্তব্য চালাচালি হয়েছিল। ইচ্ছা ছিল মন্তব্যসহ পোস্টগুলো নিয়ে আসা কিন্তু তাহলে বইটা গিয়ে দাঁড়াত প্রায় হাজার পৃষ্ঠার, এই বিপুল আকারের বই বের করতে প্রকাশক আগ্রহ বোধ করতেন না। আরও কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে কেবল পোস্টগুলো নিয়েই বই বের হলো।

There was not a definitive reason for publishing this. I wrote a lot in somewhereinblog.net during the first year. I had many favorite write-ups there and some of them were widely discussed in the comments section. My idea was to include those comments, but it would need at least a thousand page - no publisher would have been interested. So with all those limitations the published book consists of only a number of blog posts.
GV: You started writing in a community platform - and now writing in your own site. Please let us know the difference.
কমিউনিটি ব্লগিং-এর বিপুল শক্তি হচ্ছে এর পাঠক। সামহোয়্যারে বা অন্যত্র লেখার সময় এমনও দাঁড়িয়েছে আমার কিছু পোস্টে হাজারেরও উপর হিট ছাড়িয়ে গেছে, যেটা আমার নিজের সাইটে অকল্পনীয়। কিন্তু কেবল হিটটাই বড়ো কথা না, অনেকের মন্তব্য পড়ে বোঝা যেত আদৌ তিনি লেখাটা পড়েননি!
কমিউনিটি ব্লগিং-এ যে সমস্যা আমাকে ভারী বিব্রত করত, তা হচ্ছে দলাদলি। বুশ স্টাইল, হয় তুমি আমার দলে নইলে খেলা থেকে বাদ। এতে আমার প্রবল আপত্তি ছিল, এখনো আছে। আসলে এটা হচ্ছে আমাদের দেশের কালচার। এখানে জন্মের পরই আলাদা করে ফেলা হয় একটা প্রাণ পশুর, না মানুষের বাচ্চার? এরপর ছেলে, না মেয়ে? কোন ধর্মের? বাড়ি কোন এলাকায়? পরিশেষে কোন দল করে? কালে কালে এটা আমাদের শেখানো হয়েছে!
অনলাইনে লেখার সময় আমি ভয়ে কাঠ হয়ে থাকি, এই রে কোথাও ভুল লিখে বসলাম না তো আবার- প্রচুর পড়তে হয়, হাতের নাগালে তথ্য-উপাত্ত রাখতে হয়। এখানকার পাঠক কিন্তু আমার উপন্যাসের টিনএজ পাঠক না, দুর্ধর্ষসব মানুষ, যারা প্রবাসে গেছেন উচ্চশিক্ষার জন্য। এঁদের রয়েছে চিন্তা করার বিপুল ক্ষমতা!
অন্যদের কথা জানি না কিন্তু এই সব আমার উপর চাপ পড়ত। তারচেয়ে আমার নিজের সাইটে যখন লিখি, লিখে বড়ো আরাম পাই। বাড়তি চাপ নাই। যে অল্প পাঠক সাইটটা ভিজিট করেন তারা মুলত পড়ার জন্যই আসেন। তাঁদের সঙ্গে আমি আমার ভাবনা শেয়ার করতে পারি, ‘বাঁশে ভিউ মিরর' লাগাবার আইডিয়া। আমার স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে দিতে পারি, আমার ভুলগুলো শোধরাতে পারি।

The power of community blogging is the readers of the community. When I wrote in Somewhereinblog.net or elsewhere it happened that a few of my writings got thousands of hits within a short span, which is unthinkable for my own site. But only the hits are not important, I received some comments and I knew that they have not read the whole post. The problem in the community blogging (in Bangladesh) is grouping (and acrimony). Its Bush style, either you are in my team or out of the game. I objected about this, I still do. Actually its the culture of our country. We are being segregated from the birth - is this the life of a human or an animal? Then is it a boy, or girl? Of which religion? Where is the domicile? and last which political party (s)he belongs? We were taught to think like this.
I feel scared when I write online - whether I am making any mistake. I have to read much - have to keep the statistics, links ready. The readers here are not the teenage readers of my book - they are very knowledgeable, some have traveled abroad for higher studies. They have got a higher power of thinking!
I don't know about others, but this created much pressure on me. When I write in my own online space, I feel much relieved. There is no extra pressure. My loyal readers come here to basically read my articles. I can express my ideas with them, like the idea of adding a rear view mirror on a bamboo [bn]. I can share my dreams, I can correct my mistakes.
GV: Please share your ideas of the blogging scene in Bangladesh.
আমি প্রচন্ড মুগ্ধ! এক কথায় দুর্ধর্ষ, এখানে ব্লগিং-এর নামে যেসব লেখালেখি হয়, অনেকের লেখা পড়ে, তাঁদের ভাবনার প্রসারতা দেখে আমি থ হয়ে যাই। পারলে এদের হাত সোনা দিয়ে বাঁধিয়ে দিতাম। আমাদের দেশের যেসব বিখ্যাত লেখকগণ রয়েছেন এঁরা কল্পনাও করতে পারবেন না, এখানে এমন অনেকে লেখালেখি করেন তাদের লেখার-ভাবনার কী গভীরতা!

I am really enchanted! Its simply very powerful, I am spellbound to read some of the writings, and the depth and richness of the bloggers' thinking. If I could I would cover their hands with gold. The popular writers in our country can never dream of the depth and skills some of these (unknown) bloggers have.
GV: In a country where there are 40% illiterates, how do you see freedom of expression as a tool of establishing democracy and can blogging play a role here?
এই প্রশ্নের উত্তর চট করে দেয়াটা মুশকিল। যদি বলা হয় হ্যাঁ তাহলে অতিশয়োক্তি হবে। যেখানে শতকরা ৪০ ভাগ মানুষ অশিক্ষিত, এখানে খুব অল্প মানুষই নেট ব্যবহার করেন। তাছাড়া আমাদের দেশ যারা চালাচ্ছেন তাঁদের এইসব পড়ার সময়, যোগ্যতা কই? এমতাবস্থায় ব্লগিং করে চট করে কিছু করে ফেলা যাবে এটা বলা মুশকিল। তবে ভূমিকা রাখা যেতে পারে পরোক্ষভাবে।

Its difficult to provide an answer quickly. If you say yes then it would be exaggerated. 40% people are illiterate and only a small portion of population uses internet. Moreover for many of those who are leading the country - neither they have time to read these, nor they have the competence.
GV: How do you feel to be nominated in an international competition like BOBS?
অবশ্যই এটা অতি আনন্দের। তবে আমি পেছনের কাতারের মানুষ। হুট করে সামনে চলে এলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি।

Of course its very pleasing. But I am a backbencher - so I get confused when I am pushed in the front bench.
GV: Please tell the Global Voices readers how reading the Bangla blogs will benefit them?
এটা আমি একটু ঘুরিয়ে বলব। কোন দেশ কতটা সভ্য এটা তার স্বর্নের মজুত বা মিসাইলের সংখ্যা দিয়ে হয় না। আমি মনে করি ওই দেশের মানুষদের ভাবনা, যার আরেক নাম ব্লগিং নামের লেখালেখি দিয়ে হয়।
এখন আমরা কোন দেশের লোকজনের ভাবনা জানব কেমন করে? পত্রিকা-মিডিয়ার মাধ্যমে, উঁহু। ওখানে আমরা কেবল জানতে পারব মেদবহুল ভাবনা। নির্মেদ ভাবনা জানার জন্য ব্লগিং নামের শক্তিশালী এই মাধ্যম ব্যতীত অন্য কোন উপায় নাই। দেশটা বাংলাদেশ নাকি কঙ্গো সেটা দেখার বিষয় না, দেখার বিষয় হচ্ছে ওখানকার মানুষদের ভাবপ্রকাশ-ব্লগিং।
যেমন আমরা এই গ্রহের সাহিত্য বলতে বুঝি ইংরাজি সাহিত্য প্রকারান্তরে আমেরিকা-বৃটেনের সাহিত্য। মুভি বলতে বুঝি আমেরিকার মুভি। ব্লগিংটাও যেন সে পর্যায়ে না যায় সেজন্য আমাদের যেটা অতি সত্বর করা প্রয়োজন পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষার ব্লগারদের লেখা অন্য ভাষায় অনুবাদ করার ব্যবস্থা করা।

I will say it the other way round. You cannot measure which country is more civilized by its gold reserves or the number of missiles. I think you can measure it from the thinking of the citizens, which can be read from their writings known as blogs. How can we learn about the thinking of the people from a country? From print or visual media? No. We can only learn about bloated thoughts from them. To learn about genuine opinions there is no alternative to reading blogs. It does not matter which country the blogger is from, Bangladesh or Congo. The only thing matters is the expressions of opinions of citizens.
Now a days the predominant literature of the world is English literature (US & UK). Movies are predominantly from US (Hollywood). So to prevent blogging from getting monopolized we need to translate blogs of different languages to other languages of the world.
GV: Your six year old son has started blogging. How do you feel about it?
অনুভূতিটা অন্য রকম। আমি আমার সন্তানকে ব্লগিং করা দেখিয়ে দিয়েছি। আর সে আমাকে দেখিয়েছে এটা, সে ৬ বছর বয়সে ব্লগিং করে আর আমি ২৭ বছর বয়সে প্রথম কম্পিউটার ছুঁয়ে দেখেছিলাম!

The feeling is different. I just briefed my son how to blog and he has picked it up. He is blogging at the age of 6 and I touched my first computer at the age of 27!
The voting at the BOBS ends on April 14th. So if you are a Bangla speaker please read these blogs and don't forget to vote for the best within Wednesday.

Update: For our non-Bengali speaking readers here is a link to some of the blog posts of Ali Mahmed in English.

Merak Harbour in West Java  

Posted by Rezwan

Quoting Blogposts And Copyright Issues  

Posted by Rezwan in

(Image by Flickr user Horia Varlan, used under a Creative Commons License)

A growing problem in today's blogosphere is copy-pasting. When you are trying to find some original opinions - you will be surprised how many bloggers resort to just copy-pasting a news or a whole blogpost from other blogs. The line between spamblog or splogs and these blogs then disappears.

I link to other blogs a lot. I quote from them, analyze them dissect them or just highlight them. So whats the difference between quoting a para of a blog and copy-pasting the whole blog? A hell-lot.

First of all what the law says? Can you replicate someone else's copyrighted content? The answer is NO. As per Ann Smarty, SEO Consultant and Diretor of Media at Search and Social Media, LLC:
  • You cannot copy someone else's article even if you link back;
  • There is no definitive rule as to how much you are actually allowed to copy.
  • There is one exception though: "Fair use"
According to US copyright office:
Under the fair use doctrine of the U.S. copyright statute, it is permissible to use limited portions of a work including quotes, for purposes such as commentary, criticism, news reporting, and scholarly reports.

Examples of fair use include: "illustration or clarification of the author’s observations."

So if you are criticizing someone else's blog post/opinion/comment, you have a fair use right to quote. Moreover also check whether the work is published under a creative commons license (copyleft). If not you can always ask an author for permission of use of the content. It is always helpful to know your limits.

Read Ann Smarty for more details.

Meanwhile also check these useful articles:

How To Deliver a Great Presentation  

Posted by Rezwan in ,

Steve Jobs of Apple is considered a great presenter. Here are some excellent advices and tricks [video + slides] for delivering an effective presentation from Businessweek columnist Carmine Gallo, who is also the author of the book - The Presentation Secrets of Steve Jobs (via Digital Inspirations).



"Your time is limited so don't waste it living someone else's life. Don't be trapped by dogma - which is living with the result of other people's thinking. Don't let the noise of others' opinion drown out your inner voice. Stay Hungry, stay foolish." - Steve Jobs

Moral Police Target Lungis In Sharjah  

Posted by Rezwan in ,

A man should be judged by his deeds not on his appearance - Al Quran

The migrant labors from South Asia have played a great role in the transformation of Middle Eastern countries. Most of their construction works consisted of physical labors by people of this region. They clean the garbage, work in shops even some have been recruited by the police. But in general they are being looked down upon as miskins (beggars), mainly because they are poor enough. Here is another example how they are being singled out and dishonored:


Do you see any indecency in any of the dresses above? But believe it or not the Sharjah Police are cracking down on men wearing the lungi (on the left) in public.

An Asian man was arrested and interrogated by police patrols in Sharjah a few days ago for wearing a lungi in public.

The man said police told him lungis cannot be worn in public.

Sharjah Police maintain that indecent and revealing clothes are not allowed in public. "The decency law was implemented in Sharjah ten years ago," an officer said.

He said people were expected to wear decent clothes in public, but did not explain if there was a ban on wearing the lungi in public.

Here is what an Arab has to say about Lungi:

Lungi is not indecent dress. when any body lift the lungi above the thigh then it is indecent. Even kandoora can be lifted. if police found any one lifting lungi then they can take actions, but generally when anybody wear lungi in decent manner then it is wrong to object that.

You will see a lot of illogical comment in that Gulf News article about Lungi being indecent and it should be banned. It may be a poor man's attire and be considered informal but who decides fashion? Is Sharjah paying these labors decent salaries so they can afford fancy thobes? What would these people say when Sharjah bans tight jeans because you can see the curves - it may be interpreted as indecent although its not revealing. There is already a crackdown on jeans in Iran.

There are certain rules about attires in every society. In Bangladesh there are places where you need formal dress and cannot enter with a Lungi. But nobody has the audacity to say that Lungi will be banned from public places.

Illogical moral policing will not establish a good example of advancement of society. It is pure racism in a new bottle.

Collateral Murder by US In Iraq  

Posted by Rezwan in , ,

At last we see the instance of a whistle blowing incident from the US army - a classified US military video shot from an Apache helicopter. Reuters had been trying to obtain the video through the Freedom of Information Act but failed until Wikileaks.org published them online. The US helicopter gunship attacked a group of Iraqi men in New Baghdad on July 12, 2007:

Short Version


Full version (38 minutes)


Two Reuters journalists were killed and more innocent people were killed. Reddit.com analyzes the video and comes up with these conclusions:

1. The cover-up of the pilots' mistake in killing the Reuters cameramen and mistaking their cameras for an RPG is the worst thing about this episode

2. While the pilots who fired at apparently armed men (and at least 3 were actually armed) thought they were saving US ground troops who had been pinned down from men with small arms, they had less justification for firing on the van. Indeed, the latter action may have been a war crime since the van was trying to pick up the wounded and it is illegal to fire on the wounded and those hors de combat.

3. While many actions of the pilots may not have been completely wrong under their rules of engagement, nevertheless they often acted inexcusably, and their attitude is inhuman and deplorable.


(Image courtesy IMGUR)

Some excerpts from Times online:

The voice betrays the adrenalin of combat, but the words are clearly audible over the static. “Let me engage,” the gunner demands, “can I shoot?”

A ground controller asks: “Picking up the wounded?” Seconds later the gunner asks again: “Come on, let us shoot.”

Permission is granted and a dust cloud envelopes a van and several Iraqis picking up bodies from a Baghdad square. Only afterwards do the crew of the American helicopter gunship realise that two children, now gravely wounded, are in the van. “Well,” one says, “it’s their fault for bringing kids into a battle.”

And this is the US government's reaction:

US officials acknowledge privately that the tape was genuine, but the Pentagon has continued to argue that the pilots followed their rules of engagement and that there was no evidence that the two Reuters employees were not working with insurgents. A spokesman for US Central Command in Florida said there were no plans to reopen the original 2007 investigation, which was conducted at brigade level by US forces in Baghdad.

Teeth Maestro from Pakistan refers to the ongoing US drone attacks on Pakistan and is apprehensive about the human rights violation of the US forces.

"Then I must ask, with such a hideous track record, what assurance do
we have that they wouldn’t do that in Pakistan."


A Sri Lankan blogger analyzes this video and defends Sri Lanka's war crime against LTTE by naming USA and a hypocrite and asserting that "they have no right to judge us" as they also have blood on their hand. I can see where the world is heading.

Bangladesh Surf Club  

Posted by Rezwan in


The Bangladesh Surf Club from Jedidiah Clothing on Vimeo.

A documentary following the lives of the Bangladesh surf contingent and showing the unique cultural impact of surf on the local community. The youth of Bangladesh, many from poor families, come together to share their love of surfing.

The world's longest beach Cox's Bazaar has also surfing opportunities. Jafar Alam, the first known surfer from Bangladesh saw a surfboard in 1991. Here is his story how he was helped by some international surfers to learn surfing and start the club:

In 2005 (2006-2007) Tom helped sponsor me to go to Indonesia with Surfing The Nations. Tom also sponsored me to go to Sri Lanka in 2006 to surf and to help Johnson and his family who were hit by the tsunami. Now Surfing The Nations has partnered with me and helped me start the Bangladesh Surf Club.


Team meeting at Bangladesh Surf Club. Image courtesy
Surfing The Nation

Some info about the above documentary:
Five years ago Tom Bauer a missionary from ‘Surfing the Nations’ found a rare gem in the form of Bangladesh’s first surfer, Jafar Alam. Inspired by their mutual passion, Tom and Jafar set out to establish a small surf club for the local street kids.

Four years on, Kahana Kalama, a pro-surfer from San Diego, takes a trip to Bangladesh to see the school for himself.

What he discovers is a place that is having a unique impact on the lives of the kids who, for the very first time, are experiencing the freedom of the ocean through surfing. Incredibly, and against all cultural odds, over half the groups members are female. The Bangladeshi Surf school has brought a sense of liberation and hope that no one could have foreseen.
The Gum For My Boat documentary premiered at the NY Surf Film Festival. Jedidiah clothing unveiled their brand of swimwears that were inspired by the Bangladesh Surf Club. More info about Jedidiah and the documentary.

In 2005 the first ever surf contest was held in Bangladesh organized by Surfing the Nation.

Presently there are over 70 members of the Bangladesh Surf Club, both boys and girls. he club has provided young people an identity. The members of the surf club, are no longer categorized as ‘the street kid’, or ‘the uneducated’, they are now recognized as surfers. With this new founded identity, a community of young men and woman are working together to serve their city. Participating in large beach clean ups, teaching ocean safety, swimming lessons and of course surfing; they have enthusiastically embraced the motto of Surfing The Nations - surfers giving back.

Can surfing make waves for Bangladesh tourism? Not until Bangladesh provides the infrastructures - something they can learn from Indonesia.